পাবনা

দুই সহোদরের পাল্টাপাল্টি জিডি

  ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি : ২১ মে ২০২৩ , ৪:৫৭:৩৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আমিরুজ্জামান ও তাঁর সহোদর ভাই রেজাউল করিম একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেছেন। জিডিতে তারা একে অপরকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকির বিষয় উল্লেখ করেন। গত বৃহস্পতিবার (১৮ মে) ছোটভাই রাবির সহযোগী অধ্যাপক ড. আমিরুজ্জামান রাজশাহীর মতিহার থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করেন। এর আগে বুধবার (১৭ মে) বড়ভাই রেজাউল করিম ভাঙ্গুড়া থানায় সাধারণ (জিডি) ডায়েরী করেন। তারা পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌরসভার এসআর পাড়া মহল্লার মৃত আব্দুস সাত্তার মিয়ার ছেলে ।

ড. আমিরুজ্জমান তাঁর জিডিতে বলেন, গত বুধবার তাঁর স্ত্রী ড. নার্গিস সুলতানা তৃপ্তির নিজ নামীয় সম্পত্তি বিক্রি করতে তাঁরা স্বামী-স্ত্রী ভাঙ্গুড়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যান। সেখানে জমির রেজিস্ট্রি সম্পন্ন করে ফেরার পথে দুপুর ১ টার দিকে সাব- রেজিস্ট্রি অফিসের পাশের রাস্তায় তাঁর বড়ভাই রেজাউল করিমসহ দুইজন অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারী তাদের ওপর অতর্কিত আক্রমণ করে। পরে তাঁর আরেক ভাই তাদেরকে উদ্ধার করে রাজশাহী ফিরে আসতে সাহায্য করে। ফের আক্রমণের আশংকায় ও বিষয়টি পারিবারিকভাবে মিটিয়ে ফেলার চিন্তা করে তখন তারা আইনের সহায়তা না নিয়েই কর্মস্থলে ফিরে যান । কিন্তু বর্তমানে তিনি কর্মস্থল রাজশাহীতে থাকার পরও রেজাউল করিম তাঁর অপর ভাই,ভগ্নিপতিসহ বিভিন্ন লোকজনের মাধ্যমে তাকে হামলা-মামলা ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন।

বড় ভাই রেজাউল করিম তাঁর জিডিতে বলেন, তাঁর ছোট ভাই ড. আমিরুজ্জামান গংদের সাথে জমিজমা নিয়ে তাঁর দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে অসছে।এ নিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ভয়-ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছিল তাঁরা ।গত বুধবার তিনি ভাঙ্গুড়া সাব-রেজিষ্ট্রি অফিসে উপস্থিত হয়ে সাব-রেজিস্ট্রার বরাবর একটি অভিযোগ দিতে যান। এসময় তাঁরা সেখানে তাকে দেখতে পেয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে লাঠি-সোঠা নিয়ে মারতে যায় এবং যেখানেই পাবে সেখানেই তাকে খুন-জখম করার হমকি প্রদান করে।

এ বিষয়ে রাজশাহীর মতিহার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করতে আদালতের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। অনুমতি পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাশিদুল ইসলাম জানান, ‘তাদের দুই ভাইয়ের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিনের ঝামেলা রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন।অনুমতি পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’